বিনোদন প্রতিবেদক | সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

কলকাতার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মিমি চক্রবর্তী। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন তিনি এবং বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।রাজনীতিতে সফল যাত্রা সত্ত্বেও ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আচমকাই সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন অভিনেত্রী। প্রশ্ন উঠেছিল- কেন? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সে সিদ্ধান্তের নেপথ্যের কারণ স্পষ্ট করলেন মিমি নিজেই। তার ভাষ্যে, রাজনীতি থেকে সরে আসার পর তিনি এখন অনেকটাই স্বস্তিতে। রাজনীতি মানেই বিপুল সময় দিতে হয়। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে নিয়মিত কাজ করার পর এতটা সময় আর হাতে থাকে না। আমাকে শুধু কাজ নয়, আমার বাড়ি, বাবা-মা সবকিছুর দায়িত্ব সামলাতে হয়।অনেকের ধারণা, তার হয়ে সব কাজ করে দেওয়ার মতো লোকজন আছেন- এ ভুল ধারণাও ভেঙেছেন মিমি।অনেকে ভাবেন আমি কিছুই করি না, সব কাজ অন্যরা করে দেন। বাস্তবটা একদম আলাদা। নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয়। এমনকি বাবা যখন আমার কাছে থাকেন, তখন তার ওষুধ, চিকিৎসা- সব কিছুর দায়িত্ব আমারই বলেন এ অভিনেত্রী। রাজনীতির বাস্তব চাপের কথাও অকপটে স্বীকার করেন মিমি। তিনি বলেন,রাজনীতি মানেই আপনাকে সশরীরে বহু জায়গায় থাকতে হয়।দিনের পর দিন সময় চলে যায়। এখন রাজনীতি থেকে সরে এসে আমি আমার অভিনয় এবং তার সঙ্গে যুক্ত সবকিছুর দিকে অনেক বেশি মন দিতে পারছি। ‘জীবনে সময় খুব কম, আর জীবন একটাই। তাই তুমি কী করতে চাও, সেই সিদ্ধান্তটা তোমাকেই নিতে হবে, মিমির এ কথাতেই বোঝা যায় তার জীবনের দর্শন। রাজনীতি থেকে সরে এসে অভিনয়ে তিনি পুরোপুরি মন দিয়েছেন। আগামী ২৩ জানুয়ারি বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে প্রথম হরর-কমেডি ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’। উইন্ডোজ প্রযোজনায় অরিত্র মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকছেন মিমি। ছবিটি নিয়ে ইতোমধ্যেই আশাবাদী তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা।



